ইফতারে দই-চিড়া একটি আদর্শ ও স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। দীর্ঘ রোজার পর শরীরের পুষ্টি ও পানির চাহিদা পূরণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।
দেশের ঐতিহ্যবাহী ইফতারে সাধারণত তেল-মশলাযুক্ত ভাজাপোড়া খাবার থাকে, যা খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটি ও হজমের সমস্যা বাড়াতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, দই-চিড়া রমজানে পেট ঠান্ডা রাখা ও দ্রুত শক্তি পাওয়ার জন্য একটি ভালো খাবার।
চিড়া শুকনো চাল থেকে তৈরি একটি সহজপাচ্য শর্করা, যা প্রচুর কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে এবং দ্রুত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়ে শরীরকে চনমনে করে। দই একটি প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক, যা প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের চমৎকার উৎস।
ইফতারে টক দই মিষ্টি দইয়ের চেয়ে বেশি উপকারী, কারণ এটি হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। দই ও চিড়ার সমন্বয় শুধু ক্ষুধা মেটায় না, বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ পানির অভাব পূরণ করে এবং ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে।
চিড়ায় পটাশিয়াম ও সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে, তাই যারা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য এটি নিরাপদ ও উপকারী। এছাড়া, চিড়ায় আঁশের পরিমাণ কম থাকায় এটি অন্ত্রের প্রদাহ, আলসারেটিভ কোলাইটিস বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা প্রতিরোধে সহায়ক।
