শেয়ারবাজারে টানা তিন দিন হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেনের পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) লেনদেনের পরিমাণ কমে ৯০০ কোটির ঘরে নেমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এদিন ৯৩৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৮৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, লেনদেন শুরুর প্রথম কয়েক মিনিট ক্রয় বেশি থাকলেও পরে বিক্রির চাপ বাড়ে। এতে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন হয় এবং সূচক নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। দিনশেষে মাত্র ৮২টি শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ানোর তালিকায় থাকলেও ২৮৬টির দাম কমেছে এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৫১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১১০ পয়েন্টে নেমেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে দুই কার্যদিবস ও পরবর্তী প্রথম কার্যদিবস শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল, যেখানে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধি হয়েছিল। এরপর টানা তিন দিন দরপতন হয়েছে, মূলত বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতায় বিক্রির চাপের কারণে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৮৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। সেখানে ২২৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৯টির দাম বেড়েছে, ১২২টির দাম কমেছে এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
