শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে নেতিবাচকতা ও চোটের প্রভাব

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে নেতিবাচকতা ও চোটের প্রভাব

গ্রুপপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখালেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে সুবিধা করতে পারছে না শ্রীলঙ্কা। টানা দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে তারা। এই পরিস্থিতে দলের নেতার সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছেন ক্রিকেটাররা। দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা বলেন, কেউ ইচ্ছে করে খারাপ খেলতে মাঠে নামে না।

শানাকা জানান, টানা সমালোচনা শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, এমন এক ‘নেতিবাচক পরিবেশ’ তৈরি হয়েছে, যেখানে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে। বুধবার কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি ভক্তদের কাছে ‘লজ্জাজনক’ পারফরম্যান্সের জন্য ক্ষমা চান।

শানাকা বলেন, “আমরা যতই ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করি, মাঠের বাইরে প্রচণ্ড নেতিবাচকতা থাকে। এটা ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের জন্য খুবই ক্ষতিকর।” ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১১ ওভারে ৪৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়।

তিনি জানান, বিশ্বকাপে চোট বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাথিশা পাথিরানা ও এহসান মালিঙ্গার মতো তিন গুরুত্বপূর্ণ বোলারকে না পাওয়া ছিল বড় ধাক্কা। শানাকার মতে, ফিটনেসকে আপসহীন জায়গায় নিতে হবে, কারণ চোট ও ফিটনেস সমস্যার কারণে অনেক খেলোয়াড় দলে ঢুকতেই পারছে না।

এদিকে, সাবেক অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট ধীরে ধীরে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে আছে। তার মতে, সব স্তরে বড় ধরনের পরিবর্তন না আনলে সামনে আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।

আরও পড়ুন