নির্বাচনে তরুণ ও নারী ভোটারের প্রভাব বাড়ছে

নির্বাচনে তরুণ ও নারী ভোটারের প্রভাব বাড়ছে

বিগত তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের পর এবারের ভোট দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের তুলনায় ভিন্নতা তৈরি করেছে।

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ভোটের সমীকরণ পরিবর্তিত হয়েছে। তরুণ ভোটাররা এবার জয়-পরাজয়ের সমীকরণে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। এছাড়া মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক নারী ভোটারও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকবেন।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররাও নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে নিষিদ্ধ থাকলেও তাদের সমর্থকদের ভোটের হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে অনেকেই প্রকাশ্যে কোনো দলের সমর্থনে অবস্থান নিতে চাননি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দলটি মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় নেই। তাদের নেতাকর্মীরা বর্তমানে নীরব, তবে ভোটের মাঠে তাদের গুরুত্ব অস্বীকার করা যাচ্ছে না।

যুব ভোটারদের সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি, যা নির্বাচনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসতে পারে। এসব নতুন ভোটারের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে উন্নয়ন, ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রার্থীর ক্লিন ইমেজের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

এদিকে, নারীদের ভোট আনতে রাজনৈতিক দলগুলো সক্রিয় হয়েছে। নির্বাচনে নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০। যেকোনো আসনে নারী ভোটারদের সমর্থন পেলে বিজয় নিশ্চিত হতে পারে।

সংখ্যালঘু ভোটাররাও নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যদিও তাদের সংখ্যা নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী আলাদা করা হয়নি, তবে বিভিন্ন সংগঠনের তথ্য মতে দেশের এক কোটির উপরে সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছেন।

নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ড. আব্দুল আলীম বলেন, এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা জয়-পরাজয়ের অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করবেন এবং তাদের ভোটের ব্যবধান কম হতে পারে।

আরও পড়ুন