ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের নাম উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, তিনি এই হত্যাকাণ্ডে অর্থ ও অস্ত্রের জোগান দিয়েছেন।
গোয়েন্দা সূত্র আরও জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের সহযোগী হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কিছু ছাত্রলীগ নেতার যোগসূত্র পাওয়া গেছে। তদন্তসংশ্লিষ্টরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাহীন আহমেদ দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন এবং মাফিয়া ডন হিসেবে পরিচিত। তিনি সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন।
পুলিশের খাতায় শাহীন চেয়ারম্যান চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন। বহুবিধ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন এবং প্রশাসন তাকে সমীহ করত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে যান। সেখানে পলাতক অবস্থায় থাকার পর গত ৩-৪ মাসে তিনি পুরোনো চেহারায় ফিরে এসেছেন।
সম্প্রতি তিনি দেশে আওয়ামী লীগের হিটলিস্ট প্ল্যান বাস্তবায়নে স্লিপার সেল সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, হোয়াটসঅ্যাপ কল ও এসএমএসের সূত্রে হাদি হত্যায় তার সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়েছে।
