সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি প্রধান জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার, ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টা পর এই হামলা সংঘটিত হয়, যেখানে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।
হামলার আগে, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। ফুজাইরাহ বন্দরের এলাকায় ঘন কালো ধোঁয়ার মেঘ দেখা যায়, যা আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ তেল মজুদ ও বাণিজ্য কেন্দ্র।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে এবং ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের কারণে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করা হয়নি।
এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে ইরানের খারগ দ্বীপে বোমা হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
ফুজাইরাহতে চলতি মাসের শুরুর দিকে আরেকটি ড্রোন হামলা ঘটেছিল, যেখানে প্রতিহত করা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন লেগেছিল। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কুয়েত থেকে ওমান পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে।
এছাড়া, ইরান কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে, যেখানে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল এবং তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হতো।
