ইসলামাবাদের পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইরানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ তথ্য জানিয়েছেন, যখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা নিয়ে দোলাচল চলছে।
তিনি বলেছেন, পাকিস্তান এখনও কূটনীতি ও সংলাপের পথ অনুসরণ করছে, তবে ইরানের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শিগগিরই শেষ হতে চলেছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক পোস্টে ইরানের সঙ্গে কোনও চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে প্রচুর গোলাবারুদসহ সবকিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে।” তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াতে চান না বলেও উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার যুদ্ধবিরতি মেয়াদ বৃদ্ধি এবং সংঘাতের অবসানে সংলাপ ও কূটনীতিকে সুযোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স নাতালি বেকারের সঙ্গে বৈঠকে দার ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আহ্বান জানান।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, বৈঠকে দার দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন, যে কোনও ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের একমাত্র কার্যকর মাধ্যম হলো সংলাপ ও কূটনীতি।
