ইরানে বিদ্রোহী কুর্দিদের অস্ত্র দিয়ে গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা পাঁচ দিন ধরে ইরানে হামলা চালানোর পরও দেশটির শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হলেও পশ্চিমাদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
নতুন নেতা নিয়োগের উদ্যোগের পাশাপাশি ইরানের প্রতিবেশী দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের কিছু এলাকায় পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ইরানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের বিদ্রোহী কুর্দি সংগঠনগুলোকে মারণাস্ত্র সরবরাহ করছে, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে ইরানে অরাজকতা সৃষ্টি করা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন কুর্দি নেতাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরাকের স্বশাসিত কুর্দিস্তান ইরানের বিদ্রোহী কুর্দিদের মূল ঘাঁটি।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের পর কুর্দি সংগঠনগুলো হামলাকারীদের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) কুর্দিদের ওপর হামলা শুরু করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের কুর্দিস্তান গণতান্ত্রিক দলের (কেডিপিআই) সভাপতি মুস্তফা হিজরির সঙ্গে কথা বলেছেন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কুর্দিরা সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থল অভিযান শুরু করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এক জ্যেষ্ঠ কুর্দি কর্মকর্তা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, কুর্দিদের অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে ইরানের জনগণকে সরকার উৎখাতের উদ্যোগ নিতে উৎসাহিত করার চেষ্টা চলছে। তবে তাদের অস্ত্র সরবরাহের পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক কুর্দিদের সঙ্গে রয়েছে, তবে তাদের ব্যবহার শেষে ছুঁড়ে ফেলার সম্ভাবনা নিয়েও আশঙ্কা রয়েছে।
