ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৫৮ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকালে জারজির শহরে এই হামলা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি সেবাদাতা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড আদম (এমডিএ)।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় ‘ব্যালিস্টিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। চলমান ১৪ দিনের সংঘাতে এই অঞ্চলে এটি তৃতীয় দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
ইসরায়েলের অগ্নিকাণ্ড ও উদ্ধার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার খবর পাওয়ার পর নফ গ্যালিলি ফায়ার স্টেশন থেকে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কর্তৃপক্ষ জানায়, মোট চারটি বাড়িতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে একটি বাড়ি ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে।
হামলার ফলে পার্শ্ববর্তী বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং খোলা মাঠেও আগুনের শিখা ছড়িয়ে যায়। এমডিএ জানিয়েছে, আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আফুলা শহরের ইমেক মেডিকেল সেন্টার জানিয়েছে, সেখানে ৩০ জন আহত রোগী ভর্তির জন্য এসেছে, তাদের মধ্যে ১৫ জন শিশু ও ১৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক। হাইফা শহরের রামবাম হেলথ কেয়ার ক্যাম্পাসে ১২ শিশুসহ ২৮ জন আহত হয়েছে।
হামলার তাণ্ডবে মানসিক চাপে ভেঙে পড়েন ১৫ ইসরায়েলি নাগরিক। চিকিৎসাকর্মীরা তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জরুরি সেবাদাতাদের পাশাপাশি নিয়মিত ও রিজার্ভ বাহিনীর সেনারা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। এদিকে, হামলা নিয়ে তদন্ত চলছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হামলার সময় ভূগর্ভস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী নিহত হয়। এসব ঘটনার কারণে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।
