মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া বিধ্বংসী যুদ্ধের পর এই আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে পারে।
বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের। ইরানের কাছে ভ্যান্স তুলনামূলক ‘গ্রহণযোগ্য’ মুখ হিসেবে পরিচিত। এর আগে জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের মতো মার্কিন দূতদের সাথে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় তেহরান তাদের ওপর আস্থা হারিয়েছে।
ইরানের পক্ষে মূল ভূমিকা পালন করবেন দেশটির অভিজ্ঞ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পরমাণু সমঝোতায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে তাকে ‘কঠিন দরকষাকষির কারিগর’ বলা হয়। প্রতিনিধিদলে থাকতে পারেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল অসীম মুনিরের দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় এই আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির পরিবেশ এখনও অত্যন্ত নাজুক। এই বৈঠকের ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ।
ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছ থেকে একটি ১০ দফার প্রস্তাব পেয়েছে; যাকে তিনি আলোচনার জন্য কার্যকর ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১৫ দফা প্রস্তাব পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। মধ্যস্থতাকারীরা বলেছেন, দুই পক্ষের এই প্রস্তাবনার ওপর ভিত্তি করে আলোচনা শুরু হলে সংঘাতের অবসান ঘটতে পারে।
