খামেনির উত্তরসূরি নির্ধারণে আলোচনার শুরু

খামেনির উত্তরসূরি নির্ধারণে আলোচনার শুরু

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর দেশে শাসন ও নেতৃত্বে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন খামেনি। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ক্ষমতায় আসেন এবং ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লা রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তাকে নির্বাচন করা হয়।

বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন করেছে প্রভাবশালী কর্মকর্তারা। সেই পরিষদের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি ইজেজি এবং অভিভাবক পর্ষদের সদস্য।

অস্ট্রেলিয়ার এবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলি লারিজানি, যিনি সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান, তিনি ভবিষ্যৎ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন। লারিজানি ২০২৫ সাল থেকে নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়াও, খামেনির সম্ভাব্য তিনজন উত্তরসূরির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন গোলাম হোসেইন মোহসেনি ইজেজি, আলি আসগার হিজাজি এবং হাসান খোমেনি। গোলাম হোসেইন মোহসেনি ইজেজি বর্তমানে প্রধান বিচারপতি এবং অন্তর্বর্তী শাসন পরিষদের সদস্য। আলি আসগার হিজাজি একজন ধর্মীয় নেতা এবং হাসান খোমেনি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা খোমেনির নাতি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তিনি রাষ্ট্রের সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সর্বোচ্চ নেতা হতে হলে শিয়া মতাদর্শের আলেম হতে হবে এবং বিশেষজ্ঞ পরিষদের মনোনয়ন নিতে হবে। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের দায়িত্ব কার হাতে যাবে তা রাজনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করছে।

আরও পড়ুন