জার্মানিতে অলিম্পিক বিড: ভোটারদের রায়ের অপেক্ষায় কর্তৃপক্ষ

জার্মানিতে অলিম্পিক বিড: ভোটারদের রায়ের অপেক্ষায় কর্তৃপক্ষ

জার্মানির রাইন ও রুর অঞ্চলের প্রায় ৪০ লাখ ভোটার আজ রবিবার ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন। তাদের মতামতের ওপর নির্ভর করবে ২০৩৬, ২০৪০ বা ২০৪৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আয়োজনের ভবিষ্যৎ। মিউনিখে একই ধরনের একটি সফল গণভোটের ছয় মাস পর এই শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দাদের সামনে নিজেদের মতামত জানানোর সুযোগ এসেছে।

অলিম্পিক আয়োজনের দৌড়ে রাইন-রুর অঞ্চলের পাশাপাশি বার্লিন, মিউনিখ এবং হামবুর্গও রয়েছে। তবে এই বড় আসরের আয়োজনের বিপুল খরচ ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। এজন্য কর্তৃপক্ষ ভোটের মাধ্যমে বড় ধরনের জনসমর্থন আদায় করতে চায়, যাতে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে শক্ত অবস্থান তুলে ধরা যায়।

বার্লিন ২০৩৬ সালের জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে, কিন্তু ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায় সামনে আসছে। ১৯৩৬ সালে হিটলারের নাৎসি শাসনামলে বার্লিনে অলিম্পিক আয়োজন করা হয়েছিল। মেয়র কাই ওয়েগনারের মতে, ১০০ বছর পর ২০৩৬ সালে অলিম্পিক আয়োজন করে জার্মানি বিশ্বকে দেখাতে চায় যে তারা এখন আর একনায়কতন্ত্রের দেশ নয়, বরং আধুনিক ও বৈচিত্র্যময় জনপদ।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার এই তারিখ নিয়ে কিছুটা সন্দিহান। তিনি ২০৪০ বা ২০৪৪ সালের বিডকে বেশি সমর্থন করছেন। অতীতে অলিম্পিক আয়োজনের পর অনেক স্টেডিয়াম পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এই ক্ষোভ সামাল দিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করে এগোচ্ছে জার্মান অলিম্পিক কমিটি (ডিওএসবি)।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অলিম্পিক আয়োজনের জন্য জনগণের সরাসরি সমর্থন থাকা একটি বড় শক্তি। কারণ ২০১৫ সালে হামবুর্গ এবং তার আগে মিউনিখের ভোটাররা বড় আসর আয়োজনের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছিলেন। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে সব দিক বিবেচনা করে ডিওএসবি চূড়ান্ত প্রস্তাব আইওসির কাছে পাঠাবে।

আরও পড়ুন