দক্ষিণ ভারতের মেগাস্টার আল্লু অর্জুনের ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল নাসার বিজ্ঞানী হওয়া। এক সাক্ষাৎকারে তার এই না বলা কথা উঠে এসেছে। তিনি চেন্নাইয়ের সেন্ট প্যাট্রিক স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন এবং হায়দ্রাবাদে এমএসআর কলেজ থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে স্নাতক হন।
উচ্চশিক্ষার পর চাকরি জীবনে তার মন বসেনি। নাসার বিজ্ঞানী হওয়ার বাসনা থাকলেও, তিনি অ্যানিমেশনের দুনিয়ায় যান। অ্যানিমেশন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও সেখানেও সুবিধা করতে পারেননি তিনি। সব চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত আল্লু অর্জুন পারিবারিক পেশা অভিনয়ে থিতু হন।
তার বাবা আল্লু অরবিন্দ দক্ষিণ ভারতের একজন খ্যাতনামী পরিচালক ও প্রযোজক। বাবার দেখানো পথ ধরে ২০০৩ সালে ‘গঙ্গোত্রী’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। প্রথম দিকে ‘চকোলেট হিরো’ হিসেবে পরিচিতি পেলেও ‘আর্যা ২’ থেকে নিজেকে আমূল বদলে ফেলেন তিনি।
২০২০ সালে ‘আলা বৈকুণ্ঠপুর’ সিনেমার মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে প্যান-ইন্ডিয়া তারকা হয়ে ওঠেন আল্লু অর্জুন। এরপর ২০২১ সালে ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ বক্স অফিসে সাড়া ফেলে। তার পরিবারের শেকড় অনেক গভীরে, দাদা আল্লু রামা লিঙ্গাইয়া ছিলেন প্রবীণ অভিনেতা এবং ছোট ভাই আল্লু শিরিষ এখন ইন্ডাস্ট্রির নিয়মিত মুখ।
