এপ্রিল ৭, ২০২৬। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা পড়ছে ইরানে, যার ফলস্বরূপ মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিশোধমূলক হামলা চলছে। একই দিন, পিউ রিসার্চ সেন্টার একটি জরিপ প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায় প্রতি ১০ জন আমেরিকানের মধ্যে ৬ জন ইসরায়েল বিরোধী। গত বছর এই হার ছিল ৫৩ শতাংশ।
জরিপ অনুযায়ী, ৫৯ শতাংশ মার্কিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর বিশ্বাস হারিয়েছেন, যা গত বছরের ৫২ শতাংশের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির হার বাড়ছে।
পিউ রিসার্চ জানায়, ইরানের সরকারের পরিবর্তনের বিষয়ে ইসরায়েলিদের বিশ্বাসে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। আগে ৭০ শতাংশের বিশ্বাস ছিল যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় ইরানি শাসকগোষ্ঠীর পতন হবে, এখন তা কমে ৪৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
একইভাবে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংসে ইসরায়েলিদের সক্ষমতা নিয়ে সংশয় বেড়েছে। আগে ৬২ শতাংশ ইসরায়েলি বিশ্বাস করতেন যে তাদের সক্ষমতা আছে, এখন তা ৪৮ শতাংশ।
গত ১০ এপ্রিল টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির জনসমর্থন কমেছে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর ইসরায়েলিরা নেতানিয়াহুর ওপর নাখোশ।
প্রতিবেদন অনুসারে, ইসরায়েলের আইনপরিষদ নেসেটে ১২০ আসনের নির্বাচনে নেতানিয়াহুবিরোধী কট্টর জায়নবাদী দলগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে। তবে সরকার গঠনের জন্য তাদের অন্যদের সমর্থন নিতে হবে।
বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার রাপিদ মন্তব্য করেছেন, ইরানের শাসক পরিবর্তন হয়নি এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে এসে পড়ছে। তিনি নেতানিয়াহুর সামরিক সাফল্যের পাশাপাশি কূটনৈতিক ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন।
বিবিসি জানায়, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার ইরান সংঘাতের প্রভাব তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন যে পশ্চিমা দেশগুলোর মতো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রয়োজন।
