জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার জন্য যুক্তরাজ্যের সমর্থন চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই সমর্থন কামনা করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক সম্পর্ক এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী সংযোগ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করছেন। তারা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন পথ অন্বেষণ, বিশেষ করে শিক্ষা, অভিবাসন, নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং জনমানুষের সম্পর্ক বৃদ্ধির মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বের ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
ড. খলিলুর রহমান ২০২৬-২০২৭ মেয়াদে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশি প্রার্থীর যোগ্যতার বিষয়টি তার সদর দপ্তরে যথাযথভাবে উপস্থাপন করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং আশ্বস্ত করেন যে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের এই প্রার্থিতা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
বৈঠকটি দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার মাধ্যমে শেষ হয়। উভয় পক্ষই ঢাকা-লন্ডন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর আগে ব্রিটিশ হাইকমিশনার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে নতুন দায়িত্বের জন্য শুভেচ্ছা জানান। এ সময় প্রতিমন্ত্রী দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন, স্বাস্থ্যসেবা খাত, শিক্ষা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
