ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামার পর স্বর্ণের বাজার আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী মুদ্রানীতি সম্পর্কে ধারণা পেতে বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি রিপোর্টের দিকে নজর দিচ্ছেন। এ অবস্থায় সস্তায় স্বর্ণ কেনার হিড়িক পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ১১:৫৮ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,০৯৫.৬৪ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে দিনের শুরুতে দাম কমে ৪,০২২.০৯ ডলারে নেমেছিল, যা গত ২১ নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, আগামী আগস্টে সরবরাহের চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার দর ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১১৬.২০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টোনএক্স-এর সিনিয়র অ্যানালিস্ট ম্যাট সিম্পসন বলেন, স্বর্ণের দাম যেভাবে ৪,০০০ ডলারের দিকে নামছিল, সেখানে বাজারের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। দরপতনের সুবিধা নেওয়া ব্যবসায়ীরা মুনাফা তুলছেন এবং লোকসানে থাকা ক্রেতারাও নতুন করে বাজারে ফিরছেন।
তিনি আরও বলেন, বুধবার কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) প্রকাশের পর মার্কিন ডলারের সূচক খুব একটা শক্তিশালী হতে পারেনি। তাই উৎপাদনকারী পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির তথ্যে বড় কোনো নেতিবাচক চমক না থাকলে স্বর্ণের বাজারে খুব দ্রুত একটি সাময়িক উত্থান দেখা যেতে পারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ইতিবাচক হাওয়া লক্ষ্য করা গেছে। স্পট সিলভার বা রুপার দাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৩.৯৫ ডলারে পৌঁছেছে। প্ল্যাটিনামের দাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে ১,৬৭১.০৯ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২.৯ শতাংশ বেড়ে ১,২৪৮.৪৫ ডলারে পৌঁছেছে।
