মিয়ানমারে তরুণদের বন্দুকধারী হতে বাধ্য করছে জান্তা বাহিনী

মিয়ানমারে তরুণদের বন্দুকধারী হতে বাধ্য করছে জান্তা বাহিনী

মিয়ানমারে বিদ্রোহী শিবিরের চার তরুণকে জান্তা বাহিনী বন্দুক ধরতে বাধ্য করছে। এরা কখনোই গৃহযুদ্ধে জড়াতে চাননি, কিন্তু জান্তা সেনারা তাদের জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

এক তরুণকে শেফ হিসেবে কাজ করার সময় আটক করা হয়, অন্যজনকে গভীর রাতে কারাওকে সেশন থেকে ফিরতে যাওয়ার সময় গ্রেফতার করা হয়। তৃতীয়জন বন বিভাগে কাজ করার সময় আটক হন এবং চতুর্থজন অভিযোগ করেন যে, তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়।

তাদের একজন বলেন, “আমাদের সরাসরি সম্মুখ সমরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” তাদের চার মাসের প্রশিক্ষণের পর কারেন রাজ্যের ফ্রন্ট লাইনে পাঠানো হয়। পালানোর চেষ্টা করার সময় তারা পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) হাতে আটক হন, কিন্তু এখানে তাদের নিরাপত্তা ও সহানুভূতি দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে তারা পিডিএফ-এর সঙ্গেই আছেন এবং জান্তা বাহিনীর ভয়ে বাড়ি ফিরতে পারছেন না। জান্তা সরকারের সামরিক নিয়োগ নীতি বিদ্রোহীদের অবস্থানকে দুর্বল করেছে, ফলে তারা এখন রক্ষণাত্মক অবস্থানে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

জান্তা বাহিনী কিছু গুরুত্বপূর্ণ শহর পুনরুদ্ধার করেছে এবং তাদের সামরিক শক্তি বাড়ানোর জন্য রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি করেছে। পিডিএফ-এর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার কো কাউং জানান, জান্তার বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

যুদ্ধের পরিস্থিতিতে পিডিএফের চিকিৎসক ডা. সং তাদেরকে উৎসাহিত করছেন। একটি ফিল্ড হাসপাতালে এক নবজাতক কন্যা শিশুর জন্ম হয়, যিনি ‘সু পেয়ে’ নাম ধারণ করেছেন। তার বাবা-মা আশা করছেন, ভবিষ্যতে একটি মুক্ত মিয়ানমারে তাদের মেয়ের জীবন কাটবে।

আরও পড়ুন