মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার উভয়পক্ষকে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার তাগিদ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যুদ্ধবিরতির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বজায় রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি।’ পাকিস্তান আলোচনা আয়োজন ও মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করছে এবং এ বিষয়ে সহযোগিতামূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, দুই দেশের আলোচনায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের কাছ থেকে একটি মৌলিক প্রতিশ্রুতি চেয়েছিল যে তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, কিন্তু তা পাওয়া যায়নি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, আলোচনা চলাকালীন তারা ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিত রাখবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালালে তেহরানও পাল্টা হামলা করে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই জানিয়েছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি বিষয়ে সাধারণ সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছে, তবে দুই-তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ৪০ দিনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের পর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাই একটি বৈঠকের মাধ্যমে চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা স্বাভাবিক নয়।
তিনি আরও জানান, আলোচনা সফল হওয়ার জন্য প্রতিপক্ষের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা প্রয়োজন। ইরানি সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অযৌক্তিক দাবির কারণে এই আলোচনা নস্যাৎ হয়ে গেছে।
