হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর আরোপিত টোল থেকে পাওয়া প্রথম রাজস্ব ইতোমধ্যে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা হয়েছে।
দেশটির পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি বাবাইয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানায়। তবে কীভাবে এই অর্থ আদায় করা হয়েছে বা কারা তা পরিশোধ করেছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
বিবিসি জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। বর্তমান যুদ্ধবিরতির আগে তেহরান জানিয়েছিল, তারা কেবল ‘বন্ধুসুলভ’ দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কত টাকা বা আদৌ কোনো ফি নেওয়া হচ্ছিল সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি।
গত মার্চের শেষ দিকে ভারতে ইরানের দূতাবাস জাহাজপ্রতি ২০ লাখ ডলার টোল নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। ইরানের আরেক জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আলিরেজা সালিমি জানান, তিনি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে শুনেছেন যে, প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ফি আদায় করা হয়েছে। তার ভাষায়, ‘জাহাজের ধরন, বহন করা পণ্যের পরিমাণ এবং ঝুঁকির মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ফি ভিন্ন ভিন্ন হয়।’
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই সতর্ক করে বলেছেন, যারা হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে গিয়ে ইরানকে টোল দেবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
