১৪ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলে আহত প্রায় ২,৯৭৫ জন। গত মাসের শেষ দিনে ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র, যার জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।
আজ শুক্রবার ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য জানায়। ইরান মার্কিন ঘাঁটি ও সেনা মোতায়েন করা দেশের ওপরও হামলা চালাচ্ছে।
ইসরায়েলি শহর তেল আবিব ও হাইফা সহ বড় শহরগুলোতে প্রতিদিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সতর্কতাসূচক সাইরেন শোনা যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সংঘাত নিরসনের বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন।
সংঘাতের শুরুতেই ইরানের নেতাদের হত্যার পর তেল আবিব ও ওয়াশিংটন আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়ে, তবে যুদ্ধের অবসান এখনও দৃশ্যমান নয়। ইরানের ইসলামভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি এবং আয়াতুল্লাহ খামেনির দ্বিতীয় ছেলে মোজতবা খামেনি নতুন নেতৃত্বে শত্রুদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অঙ্গীকার করেছেন।
আজ শুক্রবার ভোরে ইসরায়েলের জারজির শহরে একটি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, যার ফলে ৫৮ জন আহত হন এবং ১৫ জন মানসিক চাপের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও এই সংঘাতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, অন্তত সাত সেনা নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে। সামরিক দুর্ঘটনাগুলি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, ইরানকে ধ্বংস করা সহজ নয়। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান জাতিকে পরাস্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
