বিএসইসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ নিয়ে চলছে জল্পনা

বিএসইসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ নিয়ে চলছে জল্পনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বর্তমান চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন সরকারের সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে বাজার সংশ্লিষ্ট মহলে জল্পনা দেখা দিয়েছে।

খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এখনো দায়িত্বে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা সুশাসনের ব্যত্যয়ের অভিযোগ ওঠেনি। তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তিনি বাজার স্থিতিশীল রাখা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেননি। দেড় বছরের বেশি সময়ে তিনি একটি প্রথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) বাজারে আনতে পারেননি।

বিএসইসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ নিয়ে নিশ্চিত হওয়ার আগেই বাজার সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারা দাবি করছেন, পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্য থেকে বিএসইসির শীর্ষপদে নিয়োগ দেয়া উচিত। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং গত প্রায় দুই বছরে নতুন কোনো আইপিও আসেনি।

বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, “পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ পদে নিয়োগের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, এমনকি শ্রীলংকা ও ভারতের ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে। আমাদের পুঁজিবাজারেও অনেক অভিজ্ঞ লোক আছেন যারা নিয়ন্ত্রক সংস্থা পরিচালনার জন্য যোগ্য।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু একজন ভালো চেয়ারম্যান নিয়োগ দিলেই পুঁজিবাজার ভালো হয়ে যাবে এমন নয়। এক্ষেত্রে অর্থনীতি ভালো না হলে পুঁজিবাজারও ভালো হবে না। পাশাপাশি ভালো শেয়ারের জোগান দেয়া গুরুত্বপূর্ণ।”

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমাদের পুঁজিবাজারের যে সমস্যা সেটি বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ সমাধান করতে পারবে না। পুঁজিবাজারকে ন্যূনতম আঞ্চলিক মানে নিয়ে যেতে হলেও বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ পদে নিয়োগ দেয়ার বিকল্প নেই।”

আরও পড়ুন