লোডশেডিং ঢাকায় ১-২ ঘণ্টা, গ্রামে ১৪ ঘণ্টা: রুমিন ফারহানা

লোডশেডিং ঢাকায় ১-২ ঘণ্টা, গ্রামে ১৪ ঘণ্টা: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সংসদে গ্যাস বিতরণে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ঢাকায় লোডশেডিং ১-২ ঘণ্টা হলেও গ্রামের মানুষের জন্য তা ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত চলে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকা আশুগঞ্জ একটি শিল্প নগরী। এখানে সার কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, চালকল, ফ্যাক্টরি এবং বন্দর রয়েছে, তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ গ্যাস পায় না।’ তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর গ্যাসের চাহিদা পূরণের পর অন্য এলাকায় সরবরাহ করার দাবি জানান।

তিনি আরও জানান, তিতাস গ্যাস ফিল্ড ১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং বর্তমানে এটি ২২টি কূপের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ৩২৫ মিলিয়ন ঘন ফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে। যদিও সরাইল উপজেলায় গ্যাসের সংযোগ ১৯৯১ সালে দেওয়া হয়, সেখানে বর্তমানে গ্রাহকের সংখ্যা বেড়ে ৮ থেকে ৯ হাজারে পৌঁছেছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সরাইল সদরে গ্যাসের চাপ সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে থাকে না। এর ফলে মানুষ গ্যাসের সংকটে ভুগছে।’ তিনি বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের বরাত দিয়ে জানান, লোকবলের অভাব তাদের কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০১৬ সালে গ্যাসের নতুন সংযোগ বন্ধ হলেও কিছু অসাধু কর্মকর্তার মাধ্যমে আজও গ্যাস সংযোগ পাচ্ছে কিছু বাড়ি।’ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বর্তমানে ২ হাজার ২০০ টাকার নিচে পাওয়া যায় না এবং ঢাকায় বিদ্যুতের লোডশেডিং ১-২ ঘণ্টা হলেও গ্রামের মানুষের জন্য তা ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত চলে।

রুমিন ফারহানা দাবি করেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ পাবে, তারপর এটি অন্য এলাকায় যাবে।’ তিনি তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রে ৩১ নম্বর কূপের খনন কার্যক্রমের উল্লেখ করে আশা প্রকাশ করেন যে, এখান থেকে প্রতিদিন ৯ মিলিয়ন ঘন ফুট গ্যাস উৎপাদন হবে।

আরও পড়ুন