সংরক্ষিত আসনে এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা নিয়ে যা বলছে ইসি

সংরক্ষিত আসনে এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা নিয়ে যা বলছে ইসি

সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার সকালে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। তবে, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের ৩ বছরের মধ্যে সংসদ সদস্য হওয়ার আইনি বিধিনিষেধ এ ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মনিরা শারমিন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেন। সেই বছরের মার্চে তিনি এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন নিচ্ছেন সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার মাত্র ৫ মাসের মধ্যে। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২(১)(চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং তিন বছর অতিবাহিত না হয়।

মনিরা শারমিন দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, ‘২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর কৃষি ব্যাংকের কুষ্টিয়া শাখায় যোগ দিয়েছি।’ তিনি আশা করছেন, তার মনোনয়ন বাতিল হবে না। জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা মনে করি না যে তার মনোনয়ন বাতিল হবে।’

এদিকে, এনসিপি মনিরা শারমিনের একজন বিকল্প প্রার্থী রেখেছে। দলের এক যুগ্ম সদস্য সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘আমাদের আইনজীবীরা মনিরা শারমিনের বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন।’

মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় পার হওয়ার ১৯ মিনিট পর নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আগামীকাল ও পরশু মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা মইন উদ্দিন খান জানান, ‘যাচাই-বাছাইয়ের সময় নথিপত্র দেখে সিদ্ধান্ত নেব।’

আরও পড়ুন