১২ ফেব্রুয়ারির পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি

১২ ফেব্রুয়ারির পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে আর কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। তিনি বলেন, কারা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস করছে তা জনগণ জানে এবং তারা এর জবাব ব্যালটের মাধ্যমেই দেবে।

নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্যে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস দুটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের কারণে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারছে না, ফলে অর্থনীতিতে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ থেকে ব্যবসায়ীদের রক্ষায় দুর্নীতিমুক্ত সৎ নেতৃত্ব প্রয়োজন।

শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার ভবনের হলরুমে ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায় ক্ষেত্রের সমস্যা চিহ্নিতকরণ : করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ৫৪ বছরের রাজনীতিতে দেশপ্রেমের অভাব রয়েছে। এই রাজনীতিতে জনগণের অধিকারের পরিবর্তে দলীয় নেতাকর্মীদের স্বার্থ অগ্রাধিকার পেয়েছে। ক্ষমতাসীন দল বিরোধী দলকে দমন-নিপীড়ন করেছে এবং ক্ষমতার পালা বদলের সঙ্গে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজের হাত বদল হয়েছে, কিন্তু তা বন্ধ হয়নি।

নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, আগামীর বাংলাদেশে খাম চালাচালি বন্ধ করা হবে। কোনো উন্নয়নমূলক কাজে ঠিকাদারকে চাঁদা দিতে হবে না এবং ব্যবসায়ীদেরও চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতে হবে না। তিনি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের ব্যালটের মাধ্যমে বয়কট করার আহ্বান জানান এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা রাখতে বলেন।

ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার সভাপতি মো. আলাউদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মো. তরিকুল আলম মোল্লার পরিচালনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীগণ এতে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন