দেশকে রক্ষা করার জন্য ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে এবং এর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার একটি জন্মগত অধিকার এবং মানুষকে মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সারাদেশের নারী সমাজকে সাবলম্বী করে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলা হবে।
বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভায় যুবদল ও কৃষকদলের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এবং সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।
তারেক রহমান বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছিল, আর যেন কারো জীবনে মানবাধিকার লঙ্ঘন না হয়, সেটাই তাদের কাম্য। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না, আমি চাই না আর যেন কারো জীবনে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়।’
শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় কোনো ভাষাতেও দক্ষ হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো মেগা প্রজেক্টে যাব না, কারণ এতে দুর্নীতি হয়। আমরা টাকা খরচ করব শিক্ষার পেছনে এবং জনবল তৈরির পেছনে।’
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এক লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ হবে নারী। তিনি বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করতে পারলে ১০ বছর পর এর সুফল পাওয়া যাবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সারাবছর একসাথে কাজ করবে বলে তিনি জানান।
ধীরে ধীরে কৃষি রপ্তানিতে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘দমবন্ধ করা শহরে খেলার মাঠ নেই, আমরা খেলার মাঠ তৈরি করে দেব।’ তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল আগামীর বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে তার পরিকল্পনা দেয়নি, এটা একমাত্র বিএনপিই দিয়েছে। তিনি তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
