ঈদের দিন শনিবার রাত থেকে রোববার বিকাল পর্যন্ত সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন। কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনী, কিশোরগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর ও কক্সবাজারে এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ব্যুরো ও প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
কুমিল্লায় ১২ জন, হবিগঞ্জে চারজন, ফেনীতে তিনজন, কিশোরগঞ্জে দুজন, নওগাঁ, নাটোর ও কক্সবাজারে একজন করে নিহত হয়েছেন। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় রোববার ভোরে ট্রেন-বাস সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত ও ২০ জন আহত হন।
পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের ডিজিএম সুবক্তগীন বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ের পক্ষ থেকে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও একটি কমিটি কাজ শুরু করেছে।
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় শনিবার রাতে পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে চারজন নিহত হন। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার এএসআই আ. রহিম জানান, রাতের অন্ধকারে এবং রাস্তার নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ফেনীর রামপুর এলাকায় রোববার ভোর ৪টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের পেছনে বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত ও তিনজন আহত হন। মহিপাল হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট কাজল কান্তি নাথ জানান, দুর্ঘটনায় চারটি বাস ও দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
নাটোরের বড়াইগ্রামে রোববার সকালে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পিছনে ধাক্কা লেগে জুলফিকার আলী (২৯) নামে এক প্রকৌশলী নিহত হন। তিনি বিয়ের আগের দিন ঢাকা থেকে বড়াইগ্রামে আসছিলেন।
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে রোববার বিকালে পিকআপভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত ও একজন আহত হন। নিহতরা হলেন বিজয় (১৮) ও জাবির হোসেন (১৮)।
কক্সবাজারের টেকনাফে রোববার বিকালে গাড়ি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মো. আনিস (৩০) নিহত হন। টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
নওগাঁর রাণীনগরে শনিবার রাতে ভটভটি উল্টে পুকুরে পড়ে মো. হৃদয় (১২) নিহত ও অন্তত পাঁচজন আহত হন। রাণীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাবলু পাল এ ঘটনার সত্যতা করেছেন।
