ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ (৩৫) একই গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরিফ জোড়া খুন ও ধর্ষণের দায় স্বীকার করেছেন। পাবনার পুলিশ সুপার (এসপি) আনোয়ার জাহিদ আজ রোববার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

গতকাল শনিবার সকালে ভবানীপুর গ্রাম থেকে সুফিয়া বেগম সুফি (৭০) ও তার নাতনি জামিলা খাতুনের (১৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুফিয়ার মরদেহ বাড়ি থেকে এবং জামিলার মরদেহ পাশের খেত থেকে পাওয়া যায়।

পুলিশ সুপার জানান, শুক্রবার রাতে শরিফ বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে বৃদ্ধাকে কাঠের বস্তু দিয়ে আঘাত করে এবং পরে মেয়েটিকে পাশের একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে মারধর ও ধর্ষণ করে।

শরিফের স্বীকারোক্তি যাচাইয়ে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আজ বিকেলে তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে আরও আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

গতকাল রাতেই নিহত সুফিয়া বেগমের মেয়ে মরজিনা খাতুন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় হত্যা মামলা করেছেন। তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে ওই রাতেই শরিফকে আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশিদুল হাসান।

জানতে পারা গেছে, জামিলার বাবা জয়নাল খা ঢাকার সাভারে কর্মস্থলে ছিলেন এবং জামিলা তার দাদির সঙ্গে গ্রামে থাকতেন। ময়নাতদন্ত শেষে আজ মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন