এলপিজির দাম বৃদ্ধির ফলে ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়ছে

এলপিজির দাম বৃদ্ধির ফলে ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়ছে

লিকুফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) দাম এক মাসের মধ্যে দুই দফায় বাড়ানো হয়েছে। গতকাল বিইআরসি দ্বিতীয় দফায় প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বৃদ্ধি করেছে। নতুন দাম ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বর্তমানে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার ৯৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, এক মাসে এই সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ২১২ টাকা। বিইআরসি জানিয়েছে, এ বছর পাঁচ দফা এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ রয়েছে যে, বাজারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে।

এলপিজির দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয়ে চাপ পড়ছে। বিইআরসি জানিয়েছে, এলপিজির দাম সহসা কমার সম্ভাবনা নেই; বরং আরও বাড়তে পারে।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। তদুপরি, বাজারে এলপিজি সদা নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০-৩০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এলপিজি ব্যবহার করে রান্না করা সাধারণ মানুষের জন্য একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাম বাড়ানোর ফলে রেস্টুরেন্টগুলোও খাবারের দাম বাড়ানোর চিন্তা করছে।

বিইআরসি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে এলপিজির আমদানি খরচ বেড়েছে। এলপিজির নতুন দাম যুদ্ধের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। আগামী ২ মে আবার দাম সমন্বয় করা হবে।

এদিকে, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেছেন, এলপিজির বাজার বর্তমানে ব্যাপক। তিনি মনে করেন, দাম নিয়ন্ত্রণ করা হলে বাজার দ্রুত সম্প্রসারণ হতে পারে এবং এলপিজি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন