জুনে চালু হচ্ছে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড

জুনে চালু হচ্ছে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড

আগামী জুনের মধ্যেই জাতীয় ই-হেলথ কার্ড চালু করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সেবা জোরদারের জন্য এ কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ই-হেলথ আইডি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি পর্যালোচনা বিষয়ক দুই দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, ই-হেলথ কার্ড চালু হলে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উপকৃত হবে। রোগীরা যেখানেই চিকিৎসা নিন, চিকিৎসক এই কার্ডের মাধ্যমে রোগীর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য পেয়ে আরও কার্যকরভাবে চিকিৎসা প্রদান করতে পারবে।

তিনি বলেন, ই-হেলথ আইডি স্বাস্থ্যখাতে মৌলিক পরিচয় কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে রোগীদের সঠিক শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ইতোমধ্যে চালু হয়েছে এবং বাকি দুটি উদ্যোগও এগিয়ে চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন জুনের শেষ নাগাদ ই-হেলথ কার্ড চালু করা সম্ভব হবে।

কর্মশালার শেষ দিনে হেলথ আইডি, ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (ইএমআর) এবং শেয়ারেবল হেলথ রেকর্ড (এসএইচআর) বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত অনুষ্ঠানে বলেন, ডিজিটাল হেলথ ইকোসিস্টেমে আন্তঃকার্যকারিতার গুরুত্ব রয়েছে। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা আরও দক্ষ এবং সহজপ্রাপ্য হবে।

স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী সুশাসন ও গোপনীয়তার বিষয় বিশেষ গুরুত্ব দেন। এটুআই প্রকল্প পরিচালক মোহা. আব্দুর রফিক বলেন, এই কর্মশালা হেলথ আইডি ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।

এডিবির সিনিয়র হেলথ স্পেশালিষ্ট রুই লিও বাংলাদেশের ডিজিটাল স্বাস্থ্য রূপান্তরে সংস্থাটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

কর্মশালায় ইএমআর ব্যবহারের বর্তমান অবস্থা, এসএইচআর-এর স্থাপত্য এবং বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সংযুক্তির প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।

আরও পড়ুন