পদ পাওয়ার আশায় বিয়ে করছেন না ছাত্রদলের নেতারা

পদ পাওয়ার আশায় বিয়ে করছেন না ছাত্রদলের নেতারা

বরিশাল মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের ডজনখানেক নেতা বিয়ে করছেন না, কারণ তারা শিগগিরই নতুন কমিটি গঠনের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিয়ের স্বাভাবিক বয়স পেরিয়ে গেলেও, পদ পাওয়ার আশায় তারা বিয়ের চিন্তা করছেন না। গত ৫ আগস্টের আগে বিয়ে করার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি তাদের জন্য। মামলায় জড়িত থাকায় অনেকেই আত্মগোপনে ছিলেন।

বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ২০১১ সালে গঠিত হয়। ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রদান করে। বর্তমানে ৮ বছর পর নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার জন্য ১৪ জন নেতা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

মহানগর ছাত্রদলের বর্তমান দুই সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক ও মুশফিকুর রহমান অভি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক তাসনিম ও অন্যান্য নেতারা পদ পাওয়ার চেষ্টা করছেন। জেলা কমিটির জন্য তারেক আল ইমরান, নাইমুল হাসান সোহেল, আসিফ আল মামুনসহ অন্যান্য নেতারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নেতাদের মধ্যে বেশিরভাগের বর্তমান বয়স ৩৩ থেকে ৩৮ বছরের মধ্যে। সাধারণত বাংলাদেশের তরুণরা ২৮-৩০ বছরের মধ্যে বিয়ে করেন, কিন্তু তারা বিয়ের এই পর্যায় পেরিয়ে গেছেন এবং বেশিরভাগ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

তবে বিয়ে না করার বিষয়টি নেতারা স্বীকার করেননি। মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তরিকুল ইসলাম তরিক বলেন, রাজপথে আন্দোলনের কারণে বিয়ে করার সুযোগ হয়নি। তিনি দাবি করেন, তাদের ওপর সরকারের দমন-পীড়নের কারণে সংগঠনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী সোহেল রাঢিঁ বলেন, সংগঠনের জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে, দল তার ত্যাগের মূল্যায়ন করবে। কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু জানান, চেয়ারম্যান তারেক রহমান সকল নেতাদের অবস্থা সম্পর্কে অবগত রয়েছেন এবং যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।

আরও পড়ুন