প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে রয়েছে। এ জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত চারতলা ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হেডমাস্টারের অভাব রয়েছে। ৩২ হাজার ৫০০ হেডমাস্টার নিয়োগের বিষয়টি আদালতে স্থগিত থাকায় মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য কাজ শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে মোট ৮৩ হাজার ৫০০ মামলা রয়েছে এবং অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া, এনটিআরসিএর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং এর ভাইভা অতি শিগগিরই শুরু হবে। মন্ত্রী যোগ্য ও মেধাবী ব্যক্তিদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে আসার জন্য উৎসাহিত করেছেন।
শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০০৬ সালে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এবং বর্তমানে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত শিক্ষকদের বদলি সহজ করতে সফটওয়্যারভিত্তিক বদলি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু একদিনে হয় না, তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ব্যবস্থা চালু করতে চাই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।
