দেশের শেয়ারবাজারে নতুন অর্থবছরের বাজেটের আগে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আজ (১০ জুন) শুরুতে বড় উত্থানের পর শেষ পর্যন্ত পতন ঘটেছে। আগামীকাল অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন।
শুরুর দিকে বড় উত্থান হলেও পরে বিক্রির চাপে সেই উত্থান টেকেনি। অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটে দরপতন হয়েছে এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সব মূল্যসূচক কমেছে। লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) থেকেও দাম কমার খবর এসেছে। যদিও এখানে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে, ফলে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে লেনদেনের শেষ দিকে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ায় দাম কমে যায়। দিনের শেষে ডিএসইতে ১৪৯টির দাম বেড়েছে, ১৭৮টির দাম কমেছে এবং ৬৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২ পয়েন্ট কমে ৫,৫১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ০.৫ পয়েন্ট কমে ২,৮০ পয়েন্টে অবস্থান করছে, তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে ১,১১৪ পয়েন্টে উঠেছে।
ডিএসইতে আজ ১,২১০ কোটি ৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসে ১,৩৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকার তুলনায় ১৭৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা কম।
সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৭৩ পয়েন্ট কমেছে। বাজারটিতে ২৩৭ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৮টির দাম বেড়েছে, ৯৯টির দাম কমেছে এবং ৩০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এখানে ২৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ২৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা।
