বরিশাল নগরীতে মেয়াদোত্তীর্ণ কীট ব্যবহার ও প্রয়োজনীয় সনদ না থাকার অভিযোগে পাঁচটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নগরীর হাসপাতাল রোড এলাকায় জেনারেল হাসপাতালের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) বরিশাল জেলা কার্যালয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক অপূর্ব অধিকারীর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ কীট সংরক্ষণ ও যথাযথ সনদ না থাকার দায়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী জরিমানা আদায় করা হয়। জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—লাইফ লাইন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১৫ হাজার টাকা, নিউ ল্যাব মেডিকেল সার্ভিসেসকে ৬ হাজার টাকা, যমুনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১২ হাজার টাকা, হেলথ হ্যাবেন ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১৫ হাজার টাকা ও ল্যাব পয়েন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এনএসআই সূত্র জানায়, গোয়েন্দা সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে গোপন নজরদারি চালিয়ে আসছিলেন। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হলে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এনএসআই বরিশাল জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা ও বিভাগীয় কর্মকর্তারা এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা অংশ নেন।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের অসাধু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তাদের গোপন নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক অপূর্ব অধিকারী বলেন, ‘আমরা নিয়মিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে আসছি। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে।’
