পবিত্র রমজান মাসে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দিকনির্দেশনামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি এই সভার আয়োজন করে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ. কিউ. এম. মোহসেন এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব অধ্যাপক ডা. দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, রমজান মাসে ইফতারে অস্বাস্থ্যকর ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতাই গ্যাস্ট্রিক আলসার ও হজমের জটিলতার প্রধান কারণ।
তারা এই অভ্যাস পরিবর্তন করে আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ, সেদ্ধ সবজি যুক্ত ছোলা খাওয়া এবং পরিমিত ক্যালরি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিরিক্ত তৈলাক্ত ছোলার পরিবর্তে সেদ্ধ সবজি যুক্ত ছোলা বেশি উপকারী।
প্রতিদিন কমপক্ষে আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করার পরামর্শও দেন তারা। খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার শুরু করে সুপ গ্রহণ এবং অন্তত আধ ঘণ্টা পর রাতের খাবার খাওয়া অধিক স্বাস্থ্যসম্মত বলে মত দেন বিশেষজ্ঞরা।
সেহরিতে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, চর্বিবিহীন আমিষ ও সবজি গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়। পানি শূন্যতা এড়াতে মূত্রবর্ধক চা ও কফি কম খাওয়ার পরামর্শ দেন তারা। সভায় অধ্যাপক ডা. এ. কিউ. এম. মোহসেন ও অধ্যাপক ডা. দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ সেহরি ও ইফতারে সুষম খাবারের সুফল বিস্তারিত তুলে ধরেন।
