রাজধানীতে মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
নিবন্ধনের জন্য ব্যবহারকারীরা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট fuelpass.gov.bd অথবা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে গুগল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন। নিবন্ধনের মাধ্যমে একটি কিউআর কোড পাওয়া যাবে, যা নির্দিষ্ট ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি পেতে প্রয়োজন হবে। বর্তমানে এই পদ্ধতি শুধুমাত্র মোটরসাইকেলের জন্য প্রযোজ্য।
নিবন্ধনের জন্য ব্যবহারকারীদের যানবাহনের বিস্তারিত তথ্য যেমন চেসিস ও ইঞ্জিন নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর দিতে হয়। নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ব্যবহারকারীরা একটি কিউআর কোড পাবেন, যা পাম্পে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জ্বালানি সংগ্রহে সহায়তা করবে।
বর্তমানে রাজধানীর বিজয় সরণি মোড়ে ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও আসাদ গেট মোড়ে সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনসহ দুটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে। তবে, ফুয়েল পাসধারীদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা এখনো না থাকায় ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
ফুয়েল পাসধারীরা দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ লিটার বা ১ হাজার ২০০ টাকার জ্বালানি তেল নিতে পারবে, যেখানে পাস নেই এমন মোটরসাইকেলগুলোর জন্য সাধারণত ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে।
সোনার বাংলা পাম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা দ্রুত আলাদা লাইনের ব্যবস্থা নিতে পারে, তবে এই সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। একইসাথে, নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কিছু ব্যবহারকারীরা বিআরটিএ সার্ভার থেকে তথ্য লোড করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
এ বিষয়ে ট্রাস্ট এনার্জির সহকারী পরিচালক মেজর (অব.) আবুল আলা মুহাম্মদ তৌহিদ বলেন, ‘ফুয়েল পাস সিস্টেমটি বর্তমানে একটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।’ উল্লেখ্য, প্রাইভেটকার ব্যবহারকারীদের জন্য এখনো ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু করা হয়নি।
