রাষ্ট্রপতি অস্তিত্বহীন সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের উত্থাপিত পয়েন্ট অব অর্ডারের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যেহেতু সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব সংবিধানে নেই, তাই এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন না।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, মুলতবি বা ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল, যা তিনি দিয়েছেন।
বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার বিষয়টিকে ‘অসংবিধানিক’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদল এমন একটি পরিষদের অধিবেশন ডাকার দাবি জানাচ্ছে যার বৈধ ভিত্তি নেই।
জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশকে একটি ‘আরোপিত আদেশ’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি এর আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র ইমোশন দিয়ে চলে না; রাষ্ট্র চলে সংবিধান দিয়ে।
বর্তমান অধিবেশনে ১৩৩টি ঝুলে থাকা অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা থাকায় এখনই সংবিধান সংশোধনী বিল আনা সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে আগামী বাজেট অধিবেশনে বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কার্য উপদেষ্টা কমিটি চাইলে সংসদে সংবিধান সংশোধনী বিল উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
