চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানিবোঝাই আরও ৪ জাহাজ ভিড়ছে। এগুলো বর্তমানে বাংলাদেশের জলসীমার পথে রয়েছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হলে ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে, যেখানে বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবহন হয়। তবুও, চট্টগ্রাম বন্দরে তেল-গ্যাসবাহী জাহাজের আগমন অব্যাহত রয়েছে।
গত প্রায় দুই সপ্তাহে বন্দরে পৌঁছেছে ২৩টি বড় জাহাজ, যেগুলোর বেশিরভাগই যুদ্ধ পরিস্থিতির তীব্রতা বাড়ার আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। ৩ মার্চ থেকে ১৭ মার্চের মধ্যে এলএনজি, এলপিজি ও ডিজেল নিয়ে ২৩টি জাহাজ এসেছে, যার মধ্যে বেশিরভাগের খালাস শেষ হয়েছে।
বর্তমানে খালাস চলমান থাকা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ ও ‘এলপিজি সেভান’ জাহাজের মধ্যে প্রথমটি বৃহস্পতিবার এবং দ্বিতীয়টি শুক্রবার বন্দরে ভিড়বে। ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে ১৫ মার্চ বন্দরে এসেছে এবং এটি প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন খালাস করেছে। অপরদিকে, ‘এলপিজি সেভেন’ ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে ৮ মার্চ আগমন করে কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে, যেখানে প্রায় ৭ হাজার ২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস হয়েছে।
এদিকে, আগামী ২৩ মার্চের মধ্যে বন্দরে আসছে আরও চারটি জ্বালানিবোঝাই জাহাজ, যা এঙ্গোলা, ওমান, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড থেকে আসবে। এসব জাহাজের দুটিতে এলপিজি, একটিতে এলএনজি ও অপরটিতে বেইজ অয়েল রয়েছে। সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজ এসেছে, যার মধ্যে ১৮টি খালাস করে চলে গেছে এবং বাকিগুলোর কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে চলছে।
