গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। নিহত শিক্ষার্থীর নাম দীপা দাস, তিনি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরতলীর ঘোনাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্বামী ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, দীপার স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরবর্তীতে দীপা তার স্বামী ও সন্তানকে একটি ঘরে আটকে রেখে পাশের ঘরে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার স্বামী বাড়ির দারোয়ান ও স্থানীয় লোকজনকে ডেকে ঘরের দরজা ভেঙে দেখেন, দীপা ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা বলেন, তারা সোমবার বিকেলে দীপার আত্মহত্যার খবর পান। নিহতের মরদেহ মর্গে পড়ে থাকতে দেখা যায় এবং আজ বিকেলে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দীপার সহপাঠী রিফাত ইসলাম জানান, দীপা অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন এবং স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা বাংলা বিভাগের সবাইকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে।
গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সরোয়ার জানান, ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যরা একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর দীপা আত্মহত্যা করেছেন।
