ইরানের বিভিন্ন অঞ্চল লক্ষ্য করে সারারাত হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। আলজাজিরার সাংবাদিক তৌহিদ আসাদি রোববার সকালে তেহরান থেকে জানান, তেহরানের পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে দীর্ঘ সময় হামলা হয়েছে এবং বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
তিনি বলেন, এই হামলা শুধু রাজধানীতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, শিল্প শহর ইস্ফাহানও হামলার জেরে কেঁপে উঠেছে। হামলার ধরন দেখে মনে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানের শিল্প কাঠামোকে টার্গেট করেছে।
তেহরান ও ইস্ফাহানের পাশাপাশি উরমিয়া, খোররামাবাদ, কারাজ ও কোমে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। কারাজের বি-১ সেতুতে যৌথ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার ভূমিকা নিয়েছিল পাকিস্তান, কিন্তু তাদের এ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা পাকিস্তানে গিয়ে মার্কিনিদের সঙ্গে আলোচনা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছে।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে আঞ্চলিক মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এখন থমকে গেছে। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে তারা কোনো প্রতিনিধি পাঠাবে না। এখন কাতার ও তুরস্ক মধ্যস্থতার ভূমিকা নিতে পারে।
