মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হলে তারা চরম প্রতিশোধ নেবে।
সোমবার ভোর থেকে ইসরায়েল, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলের হাইফা শহরে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, নিহত দুজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েছিলেন। আরও দুজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
ট্রাম্প রোববার তার সামাজিক মাধ্যমে ইরানকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার দাবি জানান। তিনি হুমকি দেন, অন্যথায় ইরানে ‘নরক’ নামিয়ে আনা হবে।
এরপর ট্রাম্প ইরানকে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টার মধ্যে শর্ত মেনে নেওয়ার সময়সীমা দেন। তিনি বলেন, অন্যথায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোতে বিমান হামলা চালানো হবে।
ইরানের ভেতরে ভূপাতিত এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ক্রু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরান দাবি করেছে, তারা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া চারটি মার্কিন বিমান ধ্বংস করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম বলছে, মার্কিন বাহিনী নিজেই দুটি বিমান ধ্বংস করেছে।
লেবাননে যুদ্ধের আঁচ ছড়িয়েছে, যেখানে ইসরায়েল হিজবুল্লাহর অবস্থানে হামলা জোরদার করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত তাদের আকাশসীমায় আসা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে।
