পাহাড়ে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় কে এই লীনা

পাহাড়ে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় কে এই লীনা

পাহাড়ে তথা তিন পার্বত্য জেলায় সংরক্ষিত নারী আসনে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন বান্দরবানের উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের তিন পার্বত্য জেলা জুড়ে আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন তিনি।

স্থানীয়দের মতে, পার্বত্য তিনটি সাধারণ আসনের মধ্যে দুইটির প্রতিনিধি বর্তমানে পাহাড়ি সম্প্রদায়ের। পাহাড়ি-বাঙালি ভারসাম্য ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংরক্ষিত নারী আসনে একজন দক্ষ নেত্রী দরকার। দীর্ঘ সময় ধরে বান্দরবান থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে কোনো প্রতিনিধিই দেখা যায়নি।

প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় লীনা জেলা মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়ে এই নেত্রী দলের হাই কমান্ডের আস্থাও অর্জন করেছিলেন। এর আগে ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জনগণের বিপুল সাড়া পান। লীনা রাজনীতির বাইরেও সামাজিক অনেক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত।

তার স্বামী মো. জাহাঙ্গীর আলম বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের মতে, দলের কঠিন দুঃসময়েও লীনাসহ তার পরিবার রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। জনস্বার্থে কাজ করার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে।

উম্মে কুলসুম লীনা বলেন, আমি পার্বত্য জনপদের অবহেলিত পাহাড়ি-বাঙালী সকল নারীদের কণ্ঠস্বর হতে চাই। সংরক্ষিত নারী আসনে সুযোগ পেলে পাহাড়ের মানুষের অধিকার রক্ষা, পাহাড়ি বাঙালি সম্প্রীতি, নারী উন্নয়ন ও এলাকার অগ্রগতির জন্য কাজ করে যাবো।

আরও পড়ুন