শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বুধবার সকাল থেকে ভোটগ্রহণ চলছে। দুপুর ১২টায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ পর্যন্ত ২৬ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান কিছু কেন্দ্রে এজেন্ট বের করে দেওয়া ও জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তবে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই আসন বিএনপির আসন এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়ায় তিনি একটি সুষ্ঠ ও নিরাপদ নির্বাচনের আশাবাদী।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছে। জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে।
প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে এবং তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুরো এলাকা ঢেকে রাখা হয়েছে।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিম, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন।
