জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আল্লাহ ভালো জানেন একাত্তরে কার কী ভূমিকা ছিল। আল্লাহতালা তার নিখুঁত, পূর্ণাঙ্গ, একমাত্র সাক্ষী।’
আজ বৃহস্পতিবার সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধনী) বিল-২০২৬। বিলটি উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। প্রস্তাবনার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভায় সদস্যদের আপত্তি জানতে চান।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের এই অঞ্চল দুই-দুইবার স্বাধীন হয়েছে। সাতচল্লিশে একবার। ২৩ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বার।’ তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র হত্যা করা হয়। পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে।’
মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধনী) বিলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ বিলে স্বাধীনতার পরের সময়ের কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই বিষয়গুলো আনেননি। বর্তমান সরকার এই বিষয়গুলো সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘বিলে তৎকালীন তিনটি রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং নেজামে ইসলাম পার্টি রয়েছে।’
তিনি জাতিতে বিভক্তি চান না উল্লেখ করে বলেন, ‘১৯৭৯ সালে পলিটিক্যাল পার্টিজ রিভাইভাল অ্যাক্টের মাধ্যমে আওয়ামী লীগেরও পুনর্জন্ম হয়।’ তিনি আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আমরা কখনো এটা ভুলে যাইনি। ১৯৭৯ সাল থেকে আমরা দেশের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছি।’
