বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় তেলের খনি নিয়ে সম্প্রতি বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খননস্থলটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে এবং সেখানে কোনো কার্যক্রম চলমান নেই।
১৯৮৪ সালে পেট্রোবাংলার অধীনস্থ বাপেক্স গাবতলীতে খনিজ সম্পদের সন্ধানে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৮৭ সালে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং খননকৃত কূপের মুখ সিলগালা করা হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আবারো অনুসন্ধান শুরু হলেও ২০১৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত কোনো জ্বালানি সম্পদের সন্ধান মেলেনি।
স্থানীয় শ্রমিক জেল হক জানান, প্রথম দফার অনুসন্ধানে তেল উত্তোলনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হলেও হঠাৎ করেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা তুহিন ইসলাম বলেন, বর্তমান প্রযুক্তির সাহায্যে নতুন করে অনুসন্ধান করলে খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান জানান, খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান একটি জটিল প্রক্রিয়া। পুনরায় কাজ শুরু করতে হলে পেট্রোবাংলাকে নতুন ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে হবে। পূর্বের অনুসন্ধানের তথ্য সরকারের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে এবং সেগুলোর ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
গাবতলীর তল্লাতলা গ্রামে প্রায় ২৭ বিঘা জমিতে প্রথম দফার অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। তৃতীয় দফায় নতুন সার্ভে পরিচালনার দাবি উঠছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
