আশা ভোসলের কণ্ঠে কালজয়ী হিন্দি ও বাংলা গানগুলো

আশা ভোসলের কণ্ঠে কালজয়ী হিন্দি ও বাংলা গানগুলো

ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। সংগীতপ্রেমীরা তার বিদায়কে এক যুগের অবসান হিসেবে দেখছেন।

আজ সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এ সময় তার মরদেহ মুম্বাইয়ের লোয়ার পারেলের বাসভবন থেকে শোভাযাত্রার মাধ্যমে শিবাজি পার্কে নিয়ে যাওয়া হয়।

শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন আমির খান, শচিন টেন্ডুলকার, এ আর রহমান, জ্যাকি শ্রফ, রিতেশ দেশমুখ, রণবীর সিং, রাকেশ রোশন, হেলেন, পুনম ধিল্লন, মীনাক্ষী শেশাদ্রি, টাবু সহ আরও অনেকে।

আশা ভোসলের কণ্ঠে কালজয়ী কিছু হিন্দি গান হলো—‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘মেরা কুছ সামান’, ‘ও হাসিনা জুলফোওয়ালি’, ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দাম মারো দাম’ ইত্যাদি। বাংলা গানের মধ্যে রয়েছে—‘তোমারই চলার পথে আমি’, ‘কিনে দে রেশমি চুড়ি’, ‘কথা দিলাম আমি কথা দিলাম’, ‘আর কত রাত একা থাকব’, ‘ফুল কেন লাল হয়’ প্রভৃতি।

আশা ভোসলের জন্ম ১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। মাত্র ১০ বছর বয়সে মারাঠি চলচ্চিত্রে তার প্রথম গান রেকর্ড হয়। তিনি গজল এবং ধ্রুপদী সংগীতেও সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

ক্যারিয়ারে তিনি বহু সম্মাননা পেয়েছেন। এর মধ্যে আছে—১৯৮১ সালে জাতীয় পুরস্কার, ১৯৮৮ সালে দ্বিতীয়বার জাতীয় পুরস্কার, ২০০০ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও ২০০৮ সালে পদ্মবিভূষণ। ২০২২ সালে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের শেষ গানটি রেকর্ড করেন এবং ৯১ বছর বয়সে ‘সাইয়াঁ বিনা’ নামে একটি একক গান প্রকাশ করেন, যা তার প্রয়াত স্বামী রাহুল দেব বর্মনকে উৎসর্গ করা হয়।

আরও পড়ুন