যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এটি প্রাথমিক হিসেব এবং বিস্তারিত মূল্যায়ন করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি গতকাল মঙ্গলবার তাসনিম নিউজকে জানান, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভবন ধ্বংস এবং শিল্পকারখানা বন্ধ থাকার কারণে রাজস্ব ক্ষতির হিসেব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মোহাজেরানি আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদের কাছে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ দুই যুগ ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি সংলাপ শেষ হওয়ার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই দিনে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ইরানি কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি
