ইস্টার্ণ রিফাইনারীর দ্বিতীয় ইউনিট পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে ২০২৯ সালে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করা ও তেল পরিশোধন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার এই ইউনিটের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে। আগামী মে মাসের মধ্যে এই প্রকল্পের আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হতে পারে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, নতুন ইউনিটের কার্যক্রম ২০২৯ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এটি দেশীয় অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আজ শুক্রবার সকালে রিফাইনারী পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের বর্তমান মেয়াদের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নিয়ে আসা আমাদের লক্ষ্য। ইউনিটটি চালু হলে স্থানীয়ভাবে অপরিশোধিত তেল পরিশোধনে দেশের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
প্রস্তাবিত দ্বিতীয় ইউনিটের (ইআরএল-২) বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা হবে প্রায় ৩০ লাখ টন, যা বর্তমান স্থাপনার সক্ষমতার দ্বিগুণ। এটি দেশের সামগ্রিক জ্বালানি প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।
এই প্রকল্পটি এক দশকেরও বেশি সময় আগে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সরকার এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে। তবে অর্থায়ন ও বাস্তবায়নগত জটিলতার কারণে প্রকল্পটি বারবার দীর্ঘসূত্রতার সম্মুখীন হয়েছে।
রিফাইনারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানান, বর্তমানে উৎপাদন কিছুটা ধীরগতিতে চলছে এবং দুটি প্ল্যান্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে পেট্রোল ও বিটুমিন উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেলবাহী একটি জাহাজ চলতি মাসের শেষের দিকে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
