যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ: ট্রাম্পের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ: ট্রাম্পের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন নৌবাহিনী উপসাগরে একটি ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আটক করেছে। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে উল্লেখ করেছেন যে, ‘তৌসকা’ নামের জাহাজটিকে থামার নির্দেশ দিলে সেটি তা অমান্য করে, ফলে জাহাজটি জব্দ করা হয়।

ইরান এই ঘটনার প্রতি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, এটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং তারা শীঘ্রই এর জবাব দেবে। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নেতৃত্ব দেবেন।

ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তৌসকা’ নামের ৯০০ ফুট দীর্ঘ জাহাজটি মার্কিন নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল, তবে সেটা সফল হয়নি। তিনি আরও বলেছেন, জাহাজটি থামানোর জন্য সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু তা মানেনি, ফলে নৌবাহিনী জাহাজের ইঞ্জিনরুমে গুলি চালিয়ে সেটিকে থামিয়ে দেয়।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি নৌযান জাহাজটিকে আটকানোর চেষ্টা করছে। ইরানের সামরিক সদর দপ্তর এই ঘটনাকে ‘সশস্ত্র জলদস্যুতা’ হিসেবে উল্লেখ করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না দুই দেশের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে সংঘাত শুরু হয় এবং দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর আলোচনা শুরু হয়।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ট্রাম্পের বক্তব্য ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ইরানের আয়ের উৎস বন্ধ করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে হয় সবাই পার হবে, নয়তো কেউই যেতে পারবে না।’

আরও পড়ুন