স্বীকৃতি চাইছেন বঞ্চিত ক্রীড়াবিদরা, ক্ষোভ প্রকাশ

স্বীকৃতি চাইছেন বঞ্চিত ক্রীড়াবিদরা, ক্ষোভ প্রকাশ

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশের ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে জাতীয় পে-রোলের আওতায় নিয়ে এসেছে। তবে কিছু ক্রীড়াবিদের অভিযোগ, বর্তমান নির্বাচন প্রক্রিয়া এখনও সব ডিসিপ্লিনে পৌঁছাতে পারেনি।

বাংলাদেশের প্রথম পেশাদার বক্সার হিসেবে আন্তর্জাতিক বেল্ট জয়ের কৃতিত্ব গড়া সুরা কৃষ্ণ চাকমা, যিনি ১০টি পেশাদার লড়াইয়ে ৮টিতে জয়ী, এখনো সরকার মনোনীত স্পোর্টস কার্ড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। তিনি মনে করেন, কঠিন বাস্তবতার মধ্যে যেসব ক্রীড়াবিদ নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা কার্যকর নয়।

সুরা কৃষ্ণ তার ফেসবুক পোস্টে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার নাম স্পোর্টস কার্ডের তালিকায় নেই। কম প্রতিনিধিত্বশীল খেলাগুলোর জন্য স্পোর্টস কার্ড সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।’

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা জানান, ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা থাকলেও তা সংশোধন করে ৩০০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যেককে মাসে এক লাখ টাকা ভাতা দেওয়া হবে এবং বাকি ২০০ জনকে আগামী অর্থবছরে অন্তর্ভুক্ত করার কথা রয়েছে।

সুরা কৃষ্ণ আরও বলেন, ‘জাতীয় দলে থাকা অনেক ক্রীড়াবিদ বছরের পর বছর দেশের জন্য লড়াই করছেন, অথচ স্পোর্টস কার্ড পাননি। স্বীকৃতি টাকার চেয়েও বেশি সম্মানের।’

এই বঞ্চনার অনুভূতি ভাগ করে নিয়েছেন ট্রায়াথলেট মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাতও। তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘জাতীয় ক্রীড়া স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য আর কী করা বাকি আছে, আমি জানি না!’ তিনি কোনো প্রচলিত ফেডারেশনের সহায়তা ছাড়াই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সাফল্য অর্জন করেছেন।

আরাফাত আরও বলেন, ‘সম্ভবত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলে এই যাত্রা আরও একধাপ এগিয়ে যেত।’

আরও পড়ুন