জ্বালানি তেল মজুতের পরিমাণ জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

জ্বালানি তেল মজুতের পরিমাণ জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেল মজুতের পরিমাণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সরকারি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এই মাসের ১৯ তারিখ পর্যন্ত ডিজেল ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩৩ মেট্রিক টন, অকটেন ২৭ হাজার ৬০২ মেট্রিক টন, পেট্রোল ১৮ হাজার ৪৫৪ মেট্রিক টন ও ১২ হাজার ৩৮২ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল মজুত আছে।’ তিনি মজুত ও সরবরাহের বড় সংকট নেই উল্লেখ করে বলেন, ‘আরও জাহাজ আসছে। সংকটটা আসলে আমাদের চাহিদা ভীতি অথবা ব্যবসা…এগুলো অবশ্যই সরকারের দায়িত্ব দেখভাল করা।’

এ সময় তিনি রাজধানী ঢাকার কয়েকটি পেট্রোল পাম্পের তেল সরবরাহের চিত্র তুলে ধরে জানান, এই সংকটে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কিছু ক্ষেত্রে বেড়েছে। জাহেদ জানান, গত বছরের এপ্রিলে আসাদ গেট এলাকার পিডব্লিউডি স্পোর্টস ক্লাব পেট্রোল পাম্পে ৩ লাখ ১৫ হাজার লিটার অকটেন সরবরাহ করা হয়েছিল। চলতি মাসের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত এই পাম্পে ২ লাখ ৭০ হাজার লিটার অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে।

গত বছরের এপ্রিলে ১ লাখ ২১ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল সাপ্লাই করা হয়েছিল, এ বছর এপ্রিলের ১৯ দিনে একই পরিমাণ ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। তেজগাঁওয়ের সততা পেট্রোল পাম্পে গত বছর ১ লাখ ৩৫ হাজার লিটার অকটেন সরবরাহ করা হয়েছিল, এ মাসের ১৯ দিনে ৯০ হাজার লিটার সরবরাহ হয়েছে। ডিজেল ৩ লাখ ১ হাজার লিটার সরবরাহ করা হয়েছিল, ১৯ দিনে ১ লাখ ৮০ হাজার লিটার সরবরাহ করা হয়েছে, যোগ করেন তিনি।

জাহেদ আরও বলেন, ‘কিছু কিছু পাম্পে যে কম তেল যায়নি তাও না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঘাটতি আছে। সার্বিক সরবরাহে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ঘাটতি আছে, যেটা আসলে একটি গ্লোবাল ট্রেন্ড। যেগুলোর (পাম্প) নাম বললাম, সেখানেও লাইন আছে। কারণ এখন চাহিদা আগের তুলনায় তিন-চার গুণ বেশি। অনেকে এক ধরনের প্যানিক বায়িং করছে, এ কারণে আসলে সংকটটা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন